বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০

হিন্দু ভাইদের শতকোটি প্রণাম প্লিজ এটা ভাইরাল করুন

 যে সকল হিন্দুরা ভাবেন যে হিন্দুধর্ম

আদি অনন্ত কাল থেকে বিরাজমান

আছে ও ভবিষ্যতেও থাকবে এবং হিন্দু

ধর্মকে কেউ আঘাত ও ধ্বংস করতে

পারবেনা। আমি মনে করি তারা এক

একটি মহামূর্খ ।

কখনো ভেবেছেন আফগানিস্থানের

হিন্দুরা কোথায় গেল ! ' কাবুল ' শহর টা

শ্রীরামের পুত্র কুশ বানিয়েছিলেন ,

আজ সেখানে একটা মন্দির পর্যন্ত নেই ।

' গান্ধার ' যার বিবরণ মহাভারতে পাওয়া

যায় । যেখানকার রাণী ছিলেন

গান্ধারী । আজ সেই স্থানের নাম

কান্দাহার । সেখানে আজ আর

কোন হিন্দু বেঁচে নেই ।

' কম্বোডিয়া' যেখানের রাজা ছিলিন

সূর্য্যদেব বর্মন যিনি পৃথিবীর সবথেকে

বড় মন্দির ' আঙ্কোরভাট ' নির্মান

করিয়েছিলেন । আজ সেখানেও কোন

হিন্দু নেই ।

' বালিদ্বীপে ' ২০ বছর পূর্বেও ৯০%

হিন্দুর দেখা পাওয়া যেত । আর আজ

সেখানে মাত্র ২০% অবশিষ্ট রয়েছে ।

কাশ্মীরে ২০ বছর পূর্বেও ৫০% হিন্দু ছিল

আর আজ মাত্র ৩% থেকে ৪% ।

কেরলে মাত্র দশ বছর পূর্বেও ৬০% হিন্দু

ছিল এখন মাত্র ২০% ।

নর্থ ইস্ট রাজ্যগুলিতেও আজ ভয়ংকর

হারে হিন্দু জনসংখ্যা কমে আসছে । এর

মধ্যে পশ্চিমবাংলাও আছে ।

প্রতিবেশি রাষ্ট্রের লাগাতার

অনুপ্রবেশ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী

ভারতের সবকটি রাজ্যের জনবিন্যাস

বদলে দিয়েছে ।

১৫৬৯ সাল পর্যন্ত ইরানের পূর্বনাম ছিল

পারস্য । যেখানে একটিও মুসলিম বসতি

ছিলনা , শুধুমাত্র পারসিকরাই থাকতেন ।

যখন পারস্যের উপর মুসলিমরা আক্রমন

চালাতো তখন পারস্যের বয়স্ক ব্যক্তিরা

তাদের তরুণ যুবকদের বলতেন , আমাদের

কেউ হারাতে পারবেনা , কেউ ধ্বংস

করতে পারবেনা । কিন্তু ধীরে ধীরে

পারস্য ইরাণে পরিণত হল পারসিকদের লুঠ

করা হল তাদের নারীরা হল গণিমতের

মাল, পুরুষদের নৃশংসভাবে খুন করা হল

অবশিষ্টদের ধর্মান্তরিত করা হল ।

অল্পসংখ্যক কিছু বেঁচে যাওয়া

পারস্যের অধিবাসী যারা

নৌকাযাত্রা করে ভারতে পালিয়ে

এসেছিল তাদেরই হাতেগোনা

কিছুজনের আজ গুজরাতে দেখতে

পাওয়া যায় ।

....... সদা সর্বদা শান্তিচাই শান্তিচাই

করে শান্তির ভিক্ষাকরা হিন্দুদের এবার

ভাববার সময় এসেছে । কারণ নিকট

ভবিষ্যতে সমগ্র হিন্দু জনজাতি চরম

সংকটের সম্মুখীন হতে চলেছে । এই

সংকট অস্তিত্বের সংকট ।

.....সমগ্র বিশ্বে খ্রীষ্টান ধর্ম অধ্যুষিত

দেশ হল ৮০ টি আর ইসলামিক দেশ হল ৫৬

টি । কিন্তু একটিও হিন্দু রাষ্ট্র নেই । হিন্দু

সংখ্যগরিষ্ট দুটি দেশ আছে একটি হল

 ভারত অপরটি হল

ভারতের প্রতিবেশি নেপাল । এটা

আমাদের দূর্ভাগ্য যে এই দুটি দেশই

বর্তমানে ধর্মনিরপেক্ষতার আঁচলে মুখ

লুকিয়ে আছে ।হিন্দু ঐক্যতার পথে এটাও

একটা অন্তঃরায়ের কারণ । কিন্তু

বর্তমানে ভারতেও হিন্দুরাও আজ

নিরাপদ নয় ।

....... চলুন একটা সমীক্ষা করি আর তার

ফলাফল দেখি কি হয় -

দশজন হিন্দুকে প্রশ্ন করুন সে কোন

জাতির ? আমি নিশ্চিত এই উত্তরগুলি

আসবে .....

আমি ব্রাহ্মণ

আমি কায়স্হ

আমি সদগোপ

আমি মাহিষ্য

আমি তিলি

আমি কলু

আমি বৈরাগী

আমি মুচি

আমি বাগদি

আমি ডোম

আবার অনেকে বলে আমি ইসকন মতে, কেউ বলে আমি গৌড়ীয় বৈষ্ণব, কেউ বলে আমি কালি মায়ের সাধক, কেউ অনুকূল, কেউ সতীমা,

রামকৃষ্ণ, হরিচাঁদ ইত‍্যাদি ইত‍্যাদি। 

গতদিন ফেসবুকে দেখলাম ব্রাহ্মণদেরকে তাচ্ছিল‍্য করে এক  ভদ্রলোক একটা পোষ্ট দিয়েছেন, তাতে বেশ লাইকও আসছে। পোষ্টকারি ভদ্রলোক হয়তোবা এগুলো দেখে বেশ মজা পাচ্ছেন। 

কিন্তু উনি কি জানেন? এগুলো সনাতন ধর্মের জন‍্য কতটা ভয়াবহ!


আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি এই প্রশ্নটাই দশজন মুসলিমকে জিজ্ঞাসা করলে তারা কী উত্তর দেয়! -

দেখবেন তারা সকলে একবাক্যে এক

কথায় একটিই উত্তর দেবে যে তারা -

মুসলিম এবং একমাত্র মুহাম্মদ (স)ই তাদের পথ প্রদর্শক।

তাই বলছি, ঐক্যতার প্রশ্নে আমরা যে কতটা

বিভাজিত তা আর আলাদা করে বলার

অপেক্ষা রাখেনা । আসুন আমরা এক হই, এক সনাতনী আরেক সনাতনীকে কটাক্ষ না করি। এবং সবাই মিলে একবাক‍্যে বলি "হরেকৃষ্ণ"।

           

           (যত পারেন শেয়ার করুন)

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন